'জমিদার দর্পণ' নাটকে ট্র্যাজেডির গভীরতা ফুটে উঠেনি কারণ
'জমিদার দর্পণ' নাটকে ট্র্যাজেডির গভীরতা ফুটে উঠেনি কারণ
-
ক
কাহিনী একমুখি ও সংলাপ রিপোর্টধর্মী
-
খ
চরিত্রের অভ্যন্তরে দ্বন্দ্ব অনুপস্থিত
-
গ
নাট্যকারের শৈল্পিক নিরাশক্তির অভাব
-
ঘ
উপরের তিনটিই সত্যি
মীর মশাররফ হোসেন রচিত 'জমিদার দর্পণ' (১৮৭৩) নাটকটি একটি প্রতিবাদী নাটক হলেও শৈল্পিক মানদণ্ডে এটি ট্র্যাজেডির গভীরতায় পৌঁছাতে পারেনি বলে সমালোচকরা মনে করেন । এর প্রধান কারণগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:
কাহিনী একমুখি ও সংলাপ রিপোর্টধর্মী: নাটকটির গঠন একমুখী এবং উদ্দেশ্যমূলক হওয়ার কারণে এর সংলাপে শৈল্পিক সূক্ষ্মতার চেয়ে ঘটনার বর্ণনা বা 'রিপোর্ট' করার প্রবণতা বেশি দেখা যায় ।
চরিত্রের অভ্যন্তরে দ্বন্দ্ব অনুপস্থিত: ট্র্যাজেডির অন্যতম প্রধান উপাদান হলো চরিত্রের মনের ভেতরের দ্বন্দ্ব (Internal conflict)। কিন্তু এই নাটকের চরিত্রগুলো প্রধানত একপাক্ষিক (সাদা-কালো)। জমিদার কেবলই অত্যাচারী এবং প্রজারা কেবলই শোষিত; তাদের মানসিক ঘাত-প্রতিঘাত বা জটিলতা এখানে অনুপস্থিত ।
নাট্যকারের শৈল্পিক নিরাশক্তির অভাব: নাট্যকার মীর মশাররফ হোসেন নিজেই ছিলেন একজন জমিদারের সন্তান এবং তিনি জমিদারদের অত্যাচারে অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলেন। শিল্প সৃষ্টির জন্য যে নিরাসক্ত বা নিরপেক্ষ দৃষ্টি (Artistic Detachment) প্রয়োজন, আবেগের প্রাবল্যে তিনি তা রক্ষা করতে পারেননি
Related Question
View All-
ক
হাসান আজিজুল হক
-
খ
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
-
গ
মীর মশাররফ হোসেন
-
ঘ
কাজী নজরুল ইসলাম
-
ক
মীর মোশারফ হোসেন
-
খ
মীর মশারফ হোসেন
-
গ
মীর মশাররফ হোসেন
-
ঘ
মীর মোশাররফ হোসেন
-
ক
কায়কোবাদ
-
খ
মীর মশাররফ হোসেন
-
গ
মোজাম্মেল হক
-
ঘ
ইসমাইল হোসেন সিরাজী
-
ক
উপন্যাস
-
খ
নাটক
-
গ
কাব্যগ্রন্থ
-
ঘ
একটিও নয়
-
ক
রত্নাবতী
-
খ
উদাসীন পথিকের মনের কথা
-
গ
জমিদার দর্পণ
-
ঘ
বিষাদ সিন্ধু
-
ক
নাটক
-
খ
কাব্য
-
গ
প্রহসন
-
ঘ
আত্মজৈবনিক উপন্যাস
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন